ফুটবল খেলার নিয়ম 2022

ফুটবল খেলার নিয়ম

ফুটবল খেলার নিয়ম ২০২২

আসসালামুআলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ । কেমন আছেন সবাই । আশা করি ভালো আছেন । আজকে আমি আলোচনা করবো ফুটবল খেলার নিয়ম নিয়ে । তো কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করি আমাদের মুল আলোচনা ।

 

Table of Contents

ফুটবল খেলার নিয়ম 

 

ফুটবল খেলা একটি অতি প্রচিন খেলা । কালের বিবির্তনে এই ফুটবল খেলা এখন বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলায় পরিণত হয়েছে ।  আধুনিক ফুটবল খেলা উৎপত্তি ইংল্যান্ডে ।  ফুটবল খেলার আইন – কানুন প্রণয়ন হয় ইংল্যান্ডেই  । এই খেলা জনপ্রিয় হওয়ার কারণে খুব দ্রুততার সাথে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে । বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ হলেও ফুটবল খেলা এখনেও কম জনপ্রিয় নয় ।

ফুটবল খেলার আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার নাম ফেডারেল ইন্টারন্যাশনাল দ্য ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বা সংক্ষেপে ফিফা বলে । ১৯০৪ সালের ২১ মে প্যারিসে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে ।  এই সংগঠনের প্রচেষ্টা ও সহযোগীতায় ফুটবল খেলা বিভিন্ন দেশে ব্যাপক প্রসার লাভ করেছে ।

বাংলাদেশ ও ফিফার সদস্যভুক্ত হয়ে এই খেলাকে সারা দেশে জনপ্রিয় করে তুলেছে । ফুটবল বর্তমানে বিশ্বে সর্বজনীন খেলা । এই  খেলা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রনের জন্য ১৭ টি আইন আছে । আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন খেলার আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের ব্যাবস্থা করে থাকে । ফলে একই নিয়মেম বিশ্বের সকল দেশে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয় ।  নিচে ফুটবল খেলার নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো । আশা করি পুরোটা পড়বেন ।

[box type=”info” align=”aligncenter” class=”” width=””]কাতার বিশ্বকাপ সময়সূচি জানতে এখানে চাপ দিন [/box]

ফুটবল খেলার মাঠ

 

ফুটবল খেলার নিয়ম জানতে হলে ফুটবল মাঠ সমন্ধে জানতে হবে আগে । ফুটবল খেলার আইনের প্রথমটি হলো মাঠ । মাঠের দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ১৩০ গজ এবং সর্বনিম্ন ১০০ গজ ।  প্রস্থ সর্বোচ্চ ১০০ গজ , সর্বনিম্ন ৫০ গজ । আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মাঠের মাপ হবে –

  • দৈর্ঘ্য ১২০ গজ প্রস্থ ৮০ গজ
  • দৈর্ঘ্য ১১৫ গজ প্রস্থ ৭৫ গজ
  • দৈর্ঘ্য ১১০ গজ প্রস্থ ৭০ গজ

এই তিন মাপের মাঠের যে কোন একটি মাঠ আন্তর্জাতিক,জাতীয় প্রতিয়োগীতার জন্য প্রযোজ্য ।  তবে  স্কুলের ছোট ছেলেদের জন্য দৈর্ঘ্য ১০০ গজ ও প্রস্থ ৫০ গজ নেওয়া যেতে পারে ।

ফুটবল খেলার মাঠের মাপ

ফুটবল খেলার মাঠের দাগ

প্রতিটি দাগ চওড়া হবে ৫ ইঞ্চি  । মাঠের দৈর্ঘ্যের দগকে টাচ লাইন ও প্রস্থের দাগকে গোল লাইন বলে ।

 

ফুটবল খেলার গোল এরিয়াঃ

 

দুই গোল পোষ্টের উভয় দিকে ৬ গজ এবং সামনের দিকে ৬ গজ নিয় উভয় দাগকে একটি সরলরেখা দ্বারা যোগ করতে হবে । যার দৈর্ঘ্য হবে ২০ গজ । এই দাগের ভিতরের জায়গাকে  গোল এড়িয়া বলে ।

ফুটবল খেলার গোল পোস্ট

পেনাল্টি এরিয়াঃ

ফুটবল খেলার নিয়ম নিয়ে লেখার আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা পেনাল্টি এরিয়া সমন্ধে জানবো ।  গোল পোস্টের উভয় দিকে ১৮ গজ এবং সামনের দিকেও ১৮ গজ নিয়ে সরলরেখা টানতে হবে যার দৈর্ঘ্য হবে ৪৪ গজ ।  এই ভিতরের আয়তাকার এরিয়াকে পেনাল্টি এরিয়া বলে ।

পেনাল্টি মার্ক

 

যে চিহ্নতে বল বসিয়ে পেনাল্টি কিক মারা হয় তাকে পেনাল্টি মার্ক বলে । দুই গোল পোষ্টের মাঝে থেকে সামনের দিকে ১২ গজ দূরে চিহ্ন দিতে হবে যার ব্যাস হবে ৯ ইঞ্চি ।

 

কর্নার পতাকা

মাঠের চার কোনায় ৪ টি পতাকা থাকবে । পতাকা দন্ডের উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট হবে  । পোষ্টেরর মাথা চোখা হবে না এবং মাথায় পতাকা লাগানো থকাবে । মাঠের মধ্যেরেখার দুইদিকে টাচ লাইন থেকে ১ গজ দুরে দুটি পতাকা থাকবে । েএকে ঐচ্ছিক পতাকা বলে ।

কর্নার এরিয়াঃ 

ফুটবল খেলার নিয়ম । কর্নার পতাকাদন্ড থেকে ১ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে একটি বৃত্তচাপ আকতে হবে । যার মধ্যে বল বসিয়ে কর্নার  কিক মারতে হয় ।

ফুটবল খেলার গোল পোষ্টঃ

 

মাটি থেকে ক্রসবারের নিচ পর্যন্ত উচ্চতা ৮ ফুট ও দুই গোল পোষ্টের মাঝের দুরত্ব ৮ গজ হবে । গোল পোষ্টের পিছনে জাল টাঙ্গাতে হবে । জাল এমনভাবে টাঙ্গাতে হবে যেন গোল কিপারের চলাফেরায় কোন অসুবিধে না হয় ।

ফুটবল খেলার সেন্টার সার্কেল 

 

মধ্যরেখার মাঝখান থেকে ১০ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে একটি বৃত্ত অঙ্কন করতে হবে  যাকে সেন্টার সার্কেল  বলে ।

ফুটবল খেলার বল 

বল গোলাকার হবে । চমড়া বা ঐ জাতীয় বস্তু দ্বারা তৈরী হবে । হওয়া দ্বারা পরিপূর্ন  থাকবে ।

ফুটবল খেলার খেলোয়ার সংখ্যা

একটি দল ১৮ জন খেলোয়াড়ের সমন্বয়ে গঠিত হবে । ১১ জন মাঠে খেলবে বাকি ৭ জন অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে মাঠের বাইরে থাকবেন । তবে আঞ্চলিক বা অন্তঃস্কুল প্রতিযোগীতায় দলের খেলোয়াড়ের সংখ্যা কমানো যেতে পারে ।

ফুটবলে খেলোয়াড়দের সরাঞ্জমঃ

 

একজন খেলোয়াড়ের বাধ্যতামূলখ পোশাক হচ্ছে শার্ট বা জার্সি , শর্টস বা হাফ প্যান্ট , মোজা,শিনগার্ড, ও বুট । অন্য খেলোয়াড়ের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে এমন কোন বস্তু বা পোশাক পরা যাবে না ।

 

ফুটবল খেলার রেফারি 

ফুটবল খেলা পরিচালনা করার জন্য একজন রেফারি দরকার হয় ।

ডেপুটি রেফারি 

রেফারিকে সাহায্য করার জন্য ২ জন ডেপুটি রেফারি থাকেন । এছাড়া মাঠের বইরে একজন চতুর্থ রেফারি থাকনে । তিনিও খেলা পরিচালনার ব্যাপারে রেফারিকে সাহায্য করেন ।

 

ফুটবল খেলার সময়ঃ 

ফুটবল খেলার নিয়ম নিয়ে আলোচনার এ পর্যায়ে ফুটবল খেলার সময় কত তা জানবো । আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পর্যায়ে ফুটবল খেলার সময় প্রতি অর্ধে ৪৫ মিনিট, মাঝে বিরতি ১৫ মিনিট ।

 

খেলা আরাম্ভ

খেলা শুরু সময় উভয় দলের খেলোয়াড়গণ নিজ নিজ অর্ধে অবস্থান করেন । রেফারির সংকেতের সাথে সাথে কিক অফের মাধ্যমে খেলা শুরু হয় ।

বল খেলার মধ্যে ও বাইরে

 

বল গড়িয়ে বা শূন্য দিয়ে সম্পূর্ণভাবে গোল লাইন বা টাচলাইন যখন অতিক্রম করে তখন সে বলকে খেলার বাইরে ধরা হয় । বল দাগের উপর থাকলে খেলার মধ্যে গন্য হবে।

গোল হওয়া

বল শূন্য বা মাটি দিয়ে গড়িয়ে দুই পেটাাষ্টের ও বারের নিচ দিয়ে গোল লাইন সম্পূর্ন অতিক্রম করলে গোল হয়েছে বলে ধরা হবে ।

ফুটবল খেলার অফ সাইড হওয়া নিয়ম 

 

বল ছাড়া কোন খেলোয়াড় যদি বিপক্ষের অর্ধ অবস্থান করে এবং তার সামনে বিপক্ষের ২ জন খেলোয়াড় না থাকে ঐ অবস্থায় যদি সে নিজ দলের খেলোয়াড়ের কাছে থেকে বল পায় তাহলে অফ সাইড হবে  ।

 

ফুটবল খেলার ফাউল ও অসদাচারণঃ 

এখন আমরা জানবো কি কি কারনে ফুটবল খেলার ফাউল  ধরা হয় । সাধারনত ফাউল হলে দু ধরেনের কিক দেওয়া হয় ।

১। ডাইরেক্ট ফ্রি কিক

২ । ইনডাইরেক্ট ফ্রি কিক ।

ডাইরেক্ট ফ্রি কিক কখন দেওয়া হয় ?

  • বিপক্ষ খেলোয়াড় কে লাথি মারা বা লাথি মারার চেষ্টা করা
  • বিপক্ষ খেলোয়াড়কে ল্যাং মারা
  • বিপক্ষ খেলোয়াড়ের উপর লাফানো
  • বিপক্ষ খেলোয়াড়কে আক্রমন করা
  • বিপক্ষ খেলোয়াড়কে আঘাত করা বা আঘাত করা চেষ্টা করা
  • বিপক্ষ খেলোয়াড়কে ধাক্কা মারা
  • বল খেলার পূর্বে বিপক্ষ খেলোয়ারের সাথে সংঘর্ষ করা
  • অন্য দলের খেলোয়াড়কে ধরে রাখা
  • বিপক্ষ খেলোয়াড় কে থুতু মারা।

 

ইনডাইরেক্ট ফ্রি কিক কখন দেওয়া হয় ?

 

৭ টি অপরাধের কারনে ইনডাইরেক্ট ফ্রি কিক দেওয়া হয় ।

  • এমনভাবে খেলা যা রেফারির কাছে বিপজ্জনক মনে হয়
  • বল আয়েত্বে না থাকা অবস্থায় কাধ দিয়ে ধাক্কা মারা ।
  • গোলরক্ষক বল ছুড়ে দেওয়ার সময় তাকে বাধা দেওয়া
  • বল নিজে খেলছে না অহেতুক অপরকে বাধা দেওয়া
  • গোল রক্ষককে আক্রমন করা ।
  • গোলরক্ষক বল ছুড়ে দেওয়ার পর অন্য খেলোয়াড় টাচ করার পূর্বেই  পূনরায় টাচ করা ।
  • গোলকিপার ইচ্ছাকৃতভাবে সময় নষ্ট করলে ।

 

ফুটবল খেলার ফ্রি কিক

 

ফুটবল খেলার নিয়ম । যে কিকে সরাসরি গোল হয় তাকে প্রত্যাক্ষ ফ্রি কিক বলে । যে কিকে সরাসরি গোল হয় না তাকে পরোক্ষ ফ্রি কিক বলে ।

 

পেনাল্টি কিকঃ

 

পেনাল্টি এরিয়ার ভিতর রক্ষনভাগের কোন খেলোয়াড় উক্ত  ১০ টি অপরাধের যে  েকান একটি করে তাহলে বিপক্ষ দল একটি পেনাল্টি কিক পাবে । তবে গোল কিপারের জন্য ডাইরেক্ট ফ্রি কিক এর ১০ নং নিয়মটি প্রযোজ্য  নয় ।

 

ফুটবল খেলার থ্রোয়িং

কোন খেলোয়াড়ের স্পর্শে বল টাচ লাইন সম্পূর্ণ অতিক্রম করলে বিপক্ষ দল ঐ স্থান থেকে নিয়মনুযায়ী মাঠের মধ্যে বল নিক্ষেপের মাধ্যমে খেলা শুরু করে ঐ নিক্ষেপকে থ্রোয়িং বলে ।

 

গোল কিক

দুই গোল পোষ্ট বাদে বিপক্ষ খেলোয়াড়ের স্পর্শে যখন বল গো্ল লাইন অতিক্রম করে তখন যে কিকের মাধ্যমে খেলা শুরু হয় তাকে গোল কিক বলে ।

কর্নার কিক

কোন খেলোয়াড় গোলপোষ্ট বাদে বল যখন নিজ গোল লাইন অতিক্রম করে তখন বিপক্ষ দল একটি কর্নার কিক পায় ।

 

ফুটবল খেলার কলাকৌশল

 

ফৃুটবল হচ্ছে গতির খেলা । প্রচন্ড শারীরিক শক্তি আর নিপুনতার খেলা । ইংরেজীতে যাকে বলে স্পিডম স্টেমিনা, ও স্কিল । এই তিনটি গুণের সমন্বয় ঘটলে সে ভালো খেলোয়াড় হয়ে উঠবে । ফুটবল খেলার মৌলিক কলাকৌশল সমূহ হলো

১। কিকিং

২। হেডিং

৩। ড্রিবলিং

৪। ট্র্যাপিং

৫। ট্যাকলিং

৬। গোলকিপিং

ফুটবল কিকিং

ফুটবল খেলা পায়ের খেলা । পায়ের সাহায্যে বলের উপর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা অর্জন করতে পারলে ফুটবল খেলার প্রাথমিক দক্ষতা অর্জন করা যায় । পায়ের তিনটি দিক রয়েছে । পায়ের ভিতরের দিক , পায়ের বাইরের দিক এবং পায়ের পাতার উপরের দিকে । কিক মারার সময় পায়ের এসব অংশ ব্যাবহার করতে হয় ।

পায়ের বিভিন্ন অংশ দিয়ে বিভিন্নভাবে কিক মারা যায় । তবে ইনসাইড কিক সহজ ও সঠিকভাবে করা যায় এবং কাছাকাছি হলে এই কিকের মাধ্যমে বল পাস দেওয়া যায় । অনেক সময় ডানদিকের খেলোয়াড়ের কাছে বল পাস দেওয়ার সময়  আউটসাইট কিক ব্যাবহার করতে হয় ।

অর্থ্যাৎ পায়ের পাতার বাইরের অংশ দিয়ে পাস দেওয়া সোজা ও মাটি  ঘেষে বল পাঠানোর জন্য বাম পা বলের বামপাশে স্থাপন করে দৃষ্টি বলের উপর রেখে ডান পাতার উপরের অংশ দিয়ে বলের মাঝ বরাবর জোরে আঘাত করতে হবে । হাত দুটি প্রসারিত করে শরীরের ভারসাম্য রাখতে হবে । কিকিং ফুট সামনে দিকে যাবে । বল উচুতে পাঠাতে হলে বলের নিচের দিকে কিক মারতে হবে।

হেডিং

ফুটবল খেলার নিয়ম ২০২২ । হেড করার সময় মনে রাখতে হবে বলকে কপালের সাহায্যে আঘাত করতে হবে । হেড করার নিয়ম

  • চুলের নিচে কপালের চ্যাপ্টা অংশ দিয়ে হেড করতে হবে ।
  • বলের দিকে দৃষ্টি রাখতে হবে ।
  • শরীরের উপরের অংশ পিছনের দিকে এনে কপাল দিয়ে আঘাত করতে হবে ।
  • হাত দুটো সামান্য প্রসারিত করতে হবে।
  • ডান বামে যে দিকেই হেড করা হোক না কেন কপাল দিয়েই হেড করতে হবে । শুধু মাথা ঘুরিয়ে সেদিকে বল পাঠাতে হবে।

ড্রিবলিং

পায়ে পায়ে বলকে গড়িয়ে নেওয়াকে ড্রিবলিং বলে । ফুটবল খেলার নিয়ম  এর মধ্যে তাই এ বিষয়ে আলোচনা করা হলো । সতীর্থকে সঠিকভাবে বল যোগান দেওয়ার জন্য ড্রিবলিং করা হয় । ড্রিবলিং দু রকমের

১। পায়ের কাছাকাছি বল রেখে ড্রিবলিংঃ এই ড্রিবলিং এর সময় দুপায়ের ভিতরের অংশ ব্যাবহার করে ড্রিবল করা হয় ।

২। বল সামান্য দুরে রেখে ড্রিবলিংঃ  এই প্রকার ড্রিবলিং সাধারণত দ্রুততার জন্য করা হয় । বল সামনে বাড়িয়ে করা হয় ।

ট্র্যাপিং 

 

ফুটবল লেখার নিয়ম জানতে হলে ট্রাপিং জানা জরুরী । হাত ছাড়া শরীরের যে কোন অংশ দিয়ে বলকে আয়ত্তে আনা বা থামানোকে ট্রাপিং বলে । ট্র্যাপিং বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে ।

  1. সোল ট্র্যাপ
  2. শিন ট্র্যাপ
  3. থাই ট্র্যাপ
  4. চেস্ট ট্র্যাপ
  5. হেড ট্র্যাপ

সোল ট্র্যাপ কি ?

মাটিতে গড়ানো বল পায়ের পাতা দিয়ে থামানো কে সোল ট্র্যাপ বলে ।

শিন ট্র্যাপ

উচু বল মাটিতে ড্রপ খাওয়ার পর শিন দিয়ে বল থামানোকে শিন ট্র্যাপ বলে ।

থাই ট্র্যাপ

উপরের বল থাই দিয়ে থামিয়ে মাটিতে নামানো কে থাই ট্র্যাপ বলে । বল থাই স্পর্শ করার সাথে সাথে থাই নিচের দিকে টানতে হবে ।তাহলে বলের গতি কমে সামনে পড়বে ।

 

চেস্ট ট্র্যাপ 

উচু বল বুক দিয়ে থামানো কে বুঝায় চেস্ট ট্র্যাপ । বল টাচ করার সাথে সাথে বুক ভিতরের দিকে টানতে হবে । তাহলে বলের গতি থেমে সামনে বাড়বে ।

হেড ট্র্যাপ

কপাল  দিয়ে বল ঠেকিয়ে সামনে ফেলাকে হেড ট্র্যাপ বলে । মাথা পিছনের দিকে ঝাকাতে হবে এবং বল টাচ করার সাথে সাথে পিছনের দিকে নিতে হবে ।

 

ট্যাকলিং

ট্যাকলিং ফুৃটবল খেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণাত্মক কৌশল ।  এই কৌশলের সাহায়্যে বিপক্ষের নিকট থেকে বলকে কেড়ে নেওয়া যায় । বিপক্ষের নিকট থেকে বলকে নিজের নিয়ন্ত্রনে আনার নামই ট্যাকলিং ।

 

ফুটবল খেলার নিয়ম ভিডিও

গোলকিপিং

 

ফুটবল খেলার নিয়ম নিয়ে আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করবো গোলকিপিং নিয়ে । ফুটবল খেলায় গোল কিপারের দায়িত্ব অনেক বেশী । গোল কিপারের শরীরের যে কোন অংশ দিয়ে বল থামাতে পারে । হাত দিয়ে বল ধরা বা থামানোই প্রধান যেমন

১। নিচু বল ধরাঃ কেবল মাটি দিয়ে গড়িয়ে আসে বা সমান্য উপর দিয়ে আাসে সে বলকে এক পা সামনে ও অপর পা পিছনে দিয়ে হাটু ভেঙ্গে কোমর তেকে উপরের অংশ সামনে ঝুকিয়ে বলটির পিছনে যেয়ে দু হাত দিয়ে বল ধরতে হবে ।

২ । কোমর সমান উচু বল ধরাঃ প্রথমে বলের লাইনে যেতে হবে । দৃষ্টি বলের দিকে  থাকবে দুহাত বলের নিচে দিয়ে জড়িয়ে বুকের সাথে আটকিয়ে রাখতে হবে ।

৩। মাথার উপরের বল ধরাঃ উচ বল ধরার সময় লাফিয়ে বলের পিছনে গিয়ে দু হাত সামনে উপরের দিকে প্রসারিত করে দু হাতের তালু বলের পিছনে রেখে বল ধরবে । এছাড়াও যে সমস্থ বল আয়েত্তের বাইরে  সেগুলাকে ধরার চেষ্টা না করে পাঞ্চ করে সরিয়ে নিতে হবে ।ৎ

ফুটবল খেলার ‍উপকারীতাঃ

 

ফুটবল খেলার উপকারীতা অনেক । ফটবল খেললে শরীর ভালো থাকে । মন ভালো থাকে ।

আরো পড়ুন –

হকি খেলার নিয়ম 

ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট নিয়মাবলী

বিশ্বের সেরা ১০ ফুটবলারের তালিকা

খেলাধুলা নিয়ে বক্তব্য

কাবাডি খেলার উপকারিতা

 

শেষকথাঃ

প্রিয় ফুটবল প্রেমী বন্ধুরা । ফুটবল খেলার নিয়ম নিয়ে অনেক আলোচনা হলো । আমি চেষ্টা করেছি । ফুটবল খেলার প্রতিটি বিষয় ভেঙ্গে ভেঙ্গে বুঝানোর ।  এরপরও যদি না বুঝে থাকনে আমাদের জানাবেন আমরা চেষ্টা করবো আপনাকে আরো সহজ করে বুঝানোর । আজকের মত এখানেই শেষ করছি । ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন খেলাধূলার সকল খবর সবার আগে জানতে স্পোর্টস আওয়ারের সাথে থাকুন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *