ছোটবেলার খেলাধুলা । ছোটবেলার স্মৃতি

ছোটবেলার খেলাধুলা । ছোটবেলার স্মৃতি

ছোটবেলার খেলাধুলা । ছোটবেলার স্মৃতি

 

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভিজিটর । কেমন আছেন । আশা করি ভালো আছেন । তবে ছোট বেলার কথা নিশচয় মনে পরেছে  ? আর সেজন্যই  হয়তো ছোটবেলার খেলাধুলা নিয়ে গুগলে সার্চ করেছেন । ছোটবেলার খেলাধুলা সত্যিই অনেক মজার ছিল । দলবেধে পাড়ার সকল ছেলে মেয়ে খেলতে যেতাম । কত ধরনের খেলা যে খেলতাম তার  হিসেব নাই । এখন বড় হয়েছি ।  ইট পাথরের চার দেওয়ালে বন্ধি জীবন কাটানো ছাড়া আর কোন পথ নেই । তবুও মাঝে মাঝে মনে পরে শৈশবের সেই প্রিয় খেলাগুলার কথা ।

 

আজকে আমিও আপনাদের সাথে আমার ছোটবেলার খেলাধুলা । ছোটবেলার স্মৃতি   নিয়ে কথা বলবো । আমরা সবাই একসাথে হারিয়ে যাব সোনালী শৈশবে ।  কি সাথে থাকবেন তো আমার ? । তো চলুন স্মৃতি কাতর হয়ে যাই ।

 

Table of Contents

ছোটবেলার খেলাধুলা । ছোটবেলার স্মৃতিঃ

আসলে সকল মানুষের জীবনের শ্রেষ্ট সময় বোধহয় ছোটবেলাতেই পার করে । যেখানে নেই কেন পারিবারিক বোঝা , নেই কোন দিন দুনিয়ার চিন্তা ।  নেই কোন আলাদা মানষিক প্রেসার । শুধু ঘোরাঘোরি আর খেলাধুলা আর পড়ালেখা । আহ কি শান্তির সময়কাল । আপনাদের কার কি ধারনা আমার জানা নেই । তবে আমার জীবনের শ্রেষ্ট সময় পার করেছি । ছোট বেলাতেই । ছোটবেলার খেলাধুলা  সময়টা রাঙ্গিয়ে রাখতো নতুন রঙে ।

 

লাটিম খেলা বা লাটিম ঘুরানো খেলা 

 

ছোটবেলার খেলাধুলা এর মধ্যে এই লাটিম খেলা খেলেনি বা লাটিম চেনে না   এমন মানুষ এই দেশে খুজে পাওয়া দুষ্কর । আমি যদি ভুল না বলি তবে আমি বলতে পারি শতভাগ মানুষ ছোটবেলায় তার শৈশবে এই লাটিম ঘুরানো খেলা খেলেছেন  বা দেখেছেন । আমরাও খেলাত লাটিম ঘুরানো  খেলা । একসাথে সবাই লাটিম নিয়ে বেড়িয়ে পড়তাম । শুরু হতো খেলা । লাটিম নিয়ে বিভিন্ন ধরনের খেলা আমরা খেলতাম । এই খেলার টস সিস্টেম কে আমরা বাদুরবাদ বলে ডাকতাম।

 

লাটিম ঘুরানো খেলার নিয়ম

লাটিম নিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের খেলা খেলতাম । একেকটা খেলার নিয়ম   একেক নিয়ম ছিলো ।  সাধারনত আমরা যখন ১০ /১২ জন একসাথে খেলতাম তখন আমরা লাটিম নিয়ে টস করতাম । সবাই এখসাথে লাটিম চালতাম। লাটিম ঘোরা শুরু করতো । সবার আগে যারা   লাটিম হাতে উঠাতো পারতো তারা টসে জিতে যেত । এবং সাবার পরে যে লাটিম উঠাতো সে টসে হেরে যেতো । আমরা তখন তাকে শুতে বলাতাম মানে ।

 

আমরা একটি নিদির্ষ্ট  বৃত্তে তার লাটিম টা রেখে আমরা য়ারা টসে জিতেছি । তারা তার লাটিম কে ঘায়েল করার জন্য তার লাটিমের উপর আমাদের লাটিম চালাতাম । লাটিম চালিয়ে যদি ঘুরানো অবস্থায় আবার হাতে ফেরাতে না পারতাম তবে আমার লাটিমকেও শুতে হবো । আবার কেউ যদি আমাকে বাচানোর জন্য লাটিম চালিয়ে বৃত্ত থেকে আমার লাটিম বেরিয়ে আনতে পারতো তবে অবারও  আমি বৃত্তে থাকা লাটিম কে ঘায়েল করার জন্য লাটিম চালাতাম । এভাবেই চলোত  লাটিম ঘুরানো খেলা ।

লাটিম খেলা দাউ কোপ

 

লাটিম খেলার মধ্যে সবচেয়ে ব্যায়বহুল এবং বিপদজন খেলা হলো এই দাউ কোপ  । ছোটবেলার খেলাধুলার মধ্যে  এই দাউকোপ খেলাটা আমার কাছে অমানবিক খেলার মনে হয়েছে । এই খেলাটার নিয়ম হলো , টসে যার লাটিম হারবে তার লাটিম কে দা দিয়ে একটা কোপ দেওয়ার সুযোগ তৈরী হবে । আর এতে করে কোপ যদি সঠিকভাবে লাগে তবে ঐ লাটিম দু ভাগে হয়ে যায় । লাটিমের মালিট হারা হয়ে যায় ।

লুকচুরি খেলা / পলাপলি খেলা/ পলানটুক খেলা । 

 

ছোটবেলার খেলাধুলার মধ্যে পলান টুক খেলা খেলেন নি এমন মানুষ বোধহয় নেই । এইটা একটা জনপ্রিয় খেলা ছিল আমাদের মাঝে । ৩ থেকে থেকে শুরু করে যত বেশী সংখ্যক ইচ্ছে এই খেলায় অংশগ্রহন করা যেত ।

 

ছোটবেলার লুকচুরি খেলা  বা পলান টুক খেলার নিয়মঃ

 

এই খেলাতে একজন চোর নির্বাচন করা হতো । সেই চোর অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত গুনতো । আর এই সময়ের ভিতর বাকি খেলোয়ার রা যার যার মতো বিভিন্ন যায়গায় পালিয়ে থাকতো । সবার পালানো শেষ হলে চোর সবদিকে খুজে বেড়াতো । এবং এই বলে ডাকাডাকি করতো যে টুক না দিলে খেলবো না  । মাঝে মধ্য পালানো খেলোয়াররা টুক বলে আওয়াজ দিয়ে আবার পালাতো । চোর টুক আওয়াজের দিকে খুজে বেড়াতো ।  এভাবে খুজতে খুজতে চোর প্রথম যখন কাওকে খুজে পেত তখন চোর তাকে বলতো এক টিপ  ।

 

যাকে এভাবে সকল খেলোয়ার কে চোর খুজে বের করতো । কিন্তু খুজে বের করার সময় যদি অন্য কোন খেলোয়ার চুপে চুপে এসে চোরের মাথায় হাত রাখতে পারতো তাহলে চোর আবার চোর হয়ে যেত । আবার সবাই পালাতো । আর যদি চোর সকলকে সফলভাবে খুজে বের করতে পারতো । তবে চোর প্রথম য়ে খেলোয়ার কে একটিপ বলেছে ।খেলার পরবর্ত রাউন্ডে সে চোর হিসেবে খেলা চালাতো । ছোটবেলার স্মৃতি থেকে এই খেলা এখনো মুছে যায় নি। মাঝে মাঝে মনে হয় আবারো হরিয়ে যাই সেই শৈশবে ।  ছোটবেলার খেলাধুলা নিয়ে ঘুরে বেড়াই গ্রামের বন বাদড়ে ।

 

কানামাছি খেলা

 

ছোটবেলার খেলাধুলার মধ্যে অসম্ভব জনপ্রিয় আরেকটি খেলার নাম হলো কানামাছি খেলা  । এই খেলাতে একজন কে গামছা ওড়না বা কাপড় দিয়ে চোখ বেধে দেওয়া হতো । এরপর  তার সামনে আঙ্গুল দেখিয়ে বলা হতো দেখতে পাচ্ছে কিনা ।যখন দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না  বলে নিশচিত  হওয়া যেত তখন কানা মাছি ভোঁ ভোঁ যাকে পাবি তাকে ছো   এই বলে সবাই তাকে গুতা দিতো । এভাবে চোখ বাধা খেলোয়ার কাওকে ধরতে পারলে । তার চোখেই পড়ানো হতে কাপড় । তাকে আবার সবাই গুতা  মারতো । এভাবেই চলতো  েখলা ।

কানামাছি খেলার নিয়ম

কুমির কুমির খেলা ছোটবেলার খেলাধুলা

 

এই খেলাটা আমরা খেলতাম বাড়ির পিছন দিকে বা বিভিন্ন খালের পারে । যেখানে কোন শুকনো ডোবা বা গর্ত থাকতো একজন কুমির হতো । সেই ঐ ডোবাই থাকতো । বাকি সবাই উপর থেকে কুমির কে বিরক্ত করতো । ডোবাই নেমে আবর উঠতো । এই উঠা নামার সময় কুমির যদি কাওকে ধরতে পারতো তাহলে যাকে ধরতো সেও কুমির হয়ে যেতো ।

 

 ছোটবেলার স্মৃতি   ইচিং বিচিং খেলাঃ

ইচিং বিচিং খেলা সাধারনত মেয়েরা খেলতো । ছোটবেলার খেলাধুলা ইচিং বিচিং খেলতে একটি দাগের দু পাশে দু পা দিয়ে লাফাতো মেয়েরা । আর মুখে বলতো  ইচিং বিচিং চিচিং চা – প্রজাপতি উড়ে যা । এভাবে লাফাতে লাফাতে দাগে পা পরে গেলে আউট হয়ে যেত ।

 

মোরগ যুদ্ধ খেলা

আচ্ছা বলুন তো ছোটবেলায় মোরগ যুদ্ধ খেলেন নি এমন কেউ আছেন । ছেলেদের এই মোরগযুদ্ধ এতটায় জনপ্রিয় যে আমদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এই খেলার প্রতিযোগীতা করা হয়  ।

 

কুতকুত খেলা 

কুতকুত খেলা বেশীরভাগ মেয়েরা খেলে তবে । ছেলেরাও মেয়েদের সাথে এই খেলাতে শামিল হতো ।

 

দাড়িয়াবান্ধা খেলাঃ

গ্রামের সকল ছেলেমেয়েরাই কমবেশী এই খেলা খেলে থাকে ।  এই খেলাতে দুটি দল থাকে ।  টস করে আক্রমনকারী ও প্রতিপক্ষ নির্ধারন করা হয়  ।

এই খেলা খেলার জন্য প্রথমে মাটিতে দাক কেটে কোট তৈরী করা হয় । আমরা গ্রামে যখন এই খেলা খেলতাম তখন কোদাল দিয়ে কেটে কেটে কোট তৈরী করতাম । অনেকটা ব্যটমিন্টনের মত ।

 

প্রতিটি আড়া কোর্টে একজন করে খেলোয়াড় দাঁড়ায়। এখানেই দাঁড়িয়ে অন্য দলের খেলোয়াড়দের ঘরের ভেতর ঢুকতে বাধা দেয়। প্রতিপক্ষ খেলোয়ার যদি বাধা পেরিয়ে সকল কোট পদক্ষিন করতে পারে তবেই গেম হয় যাকে আমরা গ্রাম ভাষায়  ভোদন বলি  ।

 

দাড়িাবান্ধা খেলা ভিডিও

 

মারবেল খেলা খেলা ছোটবেলার খেলাধূলা

 

মারবেল খেলা বা কাচের গুটি খেলা । শৈশবের খুবই জনপ্রিয় খেলা ।  তবে  এই খেলাটা অনেক অভিভাবকরা খেলতে দিতো না । কারন হিসেবে বলতো এই খেলা খেলে অসভ্য ছেলেরা ।  তবে আমার কাছে এই খেলাটা অনেক ভালো লাগতো ।  আমি অনেক মারবেল মেরে দিয়েছিলাম অন্য খেলোয়ারদের থেকে । এই মারবেল খেলার সাথে আবার টাকা পয়সা জরিত ছিল । যার কারনে হয়তো অনেক অভিভাবক  কাচেরগুটি খেলা পছন্দ করত না ।

 

বৌচি খেলা

 

এই খেলাটি বেশীরভাগ মেয়েরা খেলতো । এই খেলাতে  একজন বউ হতো সে তার দল হলে দুরে একটি ঘরে অবস্থান করতো । প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াররা বউ কে পাহারা দিতো যে বউ যে দৌড়ে তার দলের কাছে না যেতে পারে ।

 

আর বউ পক্ষের একজন করে খেলোয়ার দম নিয় পাহারারত খেলায়োরদের ছুতে চেষ্টা করতো ।যদি কাওকে ছুতে পারতো তবে সে মারা যেত বা খেলা থেকে বাদ যেত  আর এই মারা যাওয়া থেকে বাচতো পাহারারত খেলোয়ারররা একটু দুরে সরে যেত ।  এই ফাকে বউ পালিয়ে তার দলের কাছে যেতে চেষ্টা করতো ।

দড়ি টানা টানি খেলাঃ

 

দড়ি টানা টানি খেলাটি ছোটবেলার স্মৃতি ময় খেলা হলেও এই খেলাটি সব বয়সের মানুষই খেলে থাকে  । খেলোয়ার রা দু দলে ভাগ হয়ে একটি বড় দড়ির দুপাশে টানতে থাকে যে পাশেই খেলোয়াররা দড়ি টেনে নিজেদের নিয়ন্ত্রনে নিতে পারবে   । এই খেলাতে তারাই বিজয়ী হবে ।

 

জুতা চোর খেলাঃ

 

শৈশবের এই খেলাটি খুবই মজার একটি লেখা  ।  এই খেলাতে সবাই গোল হয়ে বসতো । যে চোর হতো সে জুতা নিয়ে সবার পিছেনে ঘুরে ঘুরে জুতাটি   একজনের পিছনে রেখে দিত । আর একবার ঘুরে আসার আগেই যদি জুতা  যার পিছনে রাখা হয়েছে, সে পেয়ে যেত তবে সে উঠে জুতা  নিয়ে ঘুরা শুরু করত । আর না পারলে চোর এসে তার পিঠে উরাধুরা  কিল বসিয়ে দিত এবং তাকে মুরগী বানিয়ে সবার মাঝখানে বসিয়ে রাখা হত হা হা হা হা ।

 

টুনটুনি পাখি খেলাঃ

টুনটুনি পাখি নাচতো দেখি …  কি মনে পরেছে এই খেলার কথা ?  এই খেলাতে একজন চোর হয় সে হাটু গেড়ে হাত প্রসারিত করে বসে থাকে তার হাতের উপর দিয়ে অন্য খেলোয়াড়রা লাফিয়ে পার হয় । পার হওয়ার সময় চোরের হাতের সাথে কারো পা ছোয় লাগছে সে চোর হয় ।  খেলার সময় খেলোয়ারররা নিচের ছড়াটি বলে ্

টুনটুনি পাখি নাচোতো দেখি

না  বাবা নাচবো না

পরে গেলে বাচঁবো না

বড় আপুরর বিয়ে লাক্স সাবান দিয়ে  ।

 

ঘুড়িঁ উড়ানো খেলা

 

গ্রামের মাঠের ধান কাটা হয়েছে । চারদিকে যতদুর চোখ যায় শুধু ফাঁকা মাঠ আর মাঠ । আমরা দলবেধে সবাই মাঠে যেতাম ঘুরি উড়াতে । আহা সে কি মজা  । বিকেলের দক্ষিনা বাতাসে লাল নীল রঙ্গের বাহারি ডিজাইনের কত ধরনের ঘুরি যে উরাতাম তার কোন ইয়েত্তা নিয়ে । আমি নিজেই ভালো ঘুরি বানাতে পারতাম  মাঝে মধ্যে আমার নানী আমাকে ঘুরি বানিয়ে দিত । এখনো মনে পরে সেই ছোটবেলার স্মৃতি ।

 

মাঝে মধ্যে ঝাটার শলা  ভেঙ্গে পলিথিন কাগজ ছিরে নানী আমারে ঘুরি বানিয়ে দিত । ২ টাকা দিয়ে টোর সুতা কিনতাম । চলে যেতাম মাঠে । ঘুরি যত উপরে উঠত  ততই মনে সুখ লাগতো । আবার যখন হাওয়ার টানে সুতা ছিরে  ঘুরি নিয়ন্ত্রনেরর বাইরে চলে যেত । তখন খুবই খারাপ লাগতো। সেকি কান্না করতাম  । আমার নানী আমাকে আবার সান্তনা দিত । আবার বানিয়ে দিত ঘুরি ।

 

 

বোম বাষ্টিং খেলা

 

খেলেছেন কখনো এই বোম বাষ্টিং খেলা । খুবই মাজাদার একটি খেলা । এই খেলাতে হাতে বল থাকতো একে অন্যকে বলদিয়ে পিঠে ঠাস করে মেরে দিতো হা  হা হা হা ।

আরো পড়ুন –

হকি খেলার নিয়ম 

ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট নিয়মাবলী

বিশ্বের সেরা ১০ ফুটবলারের তালিকা

 

খেলাধুলা নিয়ে বক্তব্য

কাতার বিশ্বকাপ সময়সূচী ২০২২

শেষকথাঃ

 

ছোটবেলার খেলাধুলা  নিয়ে অনেক স্মৃতিচারণ করলাম । আশা করি ভালো লেগেছে আপনাদের । শৈশবের সেই দিন গুলির কথা মনে পরে হয়তো  মনের কোনে জমা হয়েছে একবিন্দু জলরাশী । আমি চেষ্টা করেছি ছোটবেলার স্মৃতি গুলা আবারো একটু জাগিয়ে তোলার । জানিনা কতটুকু পেরেছি ।

 

আমি যেসব খেলার কথা এই পোষ্টে  উল্লেখ্য করেছি ।  এর বাহিরে একেকে অঞ্চলে   একেক ধরনের খেলা থাকতে পারে । এসব খেলার বাহিরে আপনার অঞ্চলের অরো কোন জনপ্রিয় খেলা থাকলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন । আমরা আপনার এলকার খেলার বিস্তারিত আমাদের এই পোষ্টে সংযুক্ত করে দেব  ইনশাআল্লাহ । তো আজকের মত বিদায় নিচ্ছি এখনই । সামনে হয়তো আবারো দেখা হবে লেখাধুলা বিষয়ক অন্য কোন পোষ্টে । খেলাধূলা সংক্রান্ত সকল তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন । ভালো থাকুন সুস্থ এই প্রত্যাশা ।

 

লিখেছেনঃ

মোঃ গোলাম মোস্তফা টুটুল 

সিরাজগঞ্জ

One Comment on “ছোটবেলার খেলাধুলা । ছোটবেলার স্মৃতি”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *